Posts

Showing posts from December, 2023

ধর্মের রাজনৈতিক ব্যবহার

 রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে ধর্মকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে কারাই বা পিছিয়ে আছে? যেখানে ইসলাম বিদ্বেষী সেকুলার গোষ্ঠী পর্যন্ত ধর্মীয় আবেগকে কাজে লাগিয়ে সুবিধা নিতে বসে থাকে সেখানে কেবল জামাত শিবিরের ক্ষেত্রেই কেন ধর্মকে ব্যবহার করার অভিযোগ চলে আসে?  মোমবাতি, হাতপাখা, তরিকত ফেডারেশন ইত্যাদি দলগুলোও কিন্তু ধর্মীয় ট্যাগে গড়ে উঠা। মতবিরোধ থাকলেও জামাত শিবির যেসব প্রতিশ্রুতি দেয় তদ্রূপ অন্যান্যও ধর্মভিত্তিক দল গুলোও ঠিক একই কথা বলে। কিন্তু আমরা ট্যাগ লাগাচ্ছি জামাত ইসলামের নাম ব্যবহার করে রাজনীতি করতেছে, তো অন্য দল গুলো ধর্ম আরেকটার নাম ব্যবহার করে নাকি? ওদের কার্যক্রম নিয়ে হয়তো প্রশ্ন তোলা যায়, মতবিরোধ করা যায়। এটা ভিন্ন টপিক।  কিন্তু ধর্মীয় ট্যাগ কেন একা ওদের  উপর চাপিয়ে দেওয়া হবে? একাত্তরের সময় ওরা রাজাকার ছিল ভালো কথা। কিন্তু  ধর্মের নাম ব্যবহারকারী অন্যান্য দল গুলো যেসব খানকা দরবার থেকে জন্মলাভ করেছে সেসব খানকা দরবার গুলোর একাত্তরের সময় কি ভূমিকা ছিল? জামাত যেমন নারী নেতৃত্বের অধীন বিএনপির সাথে জোট হওয়ার ব্যাপারটা কৌশল অবলম্বন হিসাবে যুক্তি দেয় ঠিক একইভাব...

একদম সৃষ্টির শুরু থেকে প্রত্যেক মুমিন ব্যক্তিদের বৈশিষ্ট্য এক। একদম আদিকাল থেকে কাফের মুশরিক মুনাফিক সবার বৈশিষ্ট্য এক। যুগে যুগে আল্লাহ যখন বিভিন্ন ক্বওমের নিকট নবী রাসুল প্রেরণ করতেন, নবী রাসুলগণ যখন আল্লাহর দিকে আহবান করতেন তখন মুষ্টিমেয় মুমিন ব্যতীত বাকি সবাই ঠাট্টা বিদ্রুপ করে বলত "এইগুলো তো সেকেলে কথাবার্তা, এইগুলো এখন মানা যায় নাকি? এভাবে জীবন অতিবাহিত করা যায় নাকি। " আজ থেকে সাড়ে চৌদ্দশত বছর আগে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর উপর যখন কুরান নাযিল হয়েছিল তখন মুশরিক কাফেররাও বলত "এগুলো তো সে কালের উপকথা" (সুরা আল ফুরকান -৫)। আজ সাড়ে চৌদ্দশত বছর পরের মানুষ গুলোকে যখন আপনি দ্বীনের পথে ডাকবেন, বেহায়াপনার বিরুদ্ধে কথা বলবেন  তখন কোন কাফের মুশরিক নয় স্বয়ং যাদের ইমানে জন্ডিস ধরে গেছে তারাই বলতে শুরু করবে  "১৪ শত বছর  পর যুগে অনেক পরিবর্তন এসেছে এখন এভাবে জীবন যাপন করা সম্ভব নাকি? "  ১৪ শত  বছর আগের বাতিল, বর্তমানে জীবিত বাতিল, হাজার হাজার বছর আগের বাতিলের হয়তো শারিরীক গঠনে পার্থক্য থাকতে পারে কিন্তু  চরিত্রগত কিংবা বৈশিষ্ট্যগত কোনো পার্থক্য নেই।

বাস্তবতা বনাম আমাদের নীতিকথা

 অপ্রিয় হলেও এটাই সত্য আমাদের লিখিত নীতির সাথে বাস্তবতার দূরত্ব বিশাল। বিয়ের যৌতুক প্রথা নিয়ে প্রায় সবাই সমালোচনা করে। কিন্তু, দাওয়াত পেলে কুকুরের মত জিহ্বা বের করে দৌড় দেয়। গিলার সময় নীতি আর জীবিত থাকেনা। তখন সামাজিকতা রক্ষা করা গুরু দায়িত্ব হয়ে যায়। হয়তো কিছুদিন পর মদ পানের দাওয়াত দিলেও তখনও মদ হারাম ফতুয়া পোস্ট দিয়ে সামাজিকতা রক্ষার জন্য সবাই মদ পানের দাওয়াতে ছুটে যাবে। এখন আবার যৌতুকের ভার্সন চেঞ্জ হয়েছে। শিক্ষিত সমাজ এখন আর যৌতুক নেয়না। তারা এখন উপহার আদানপ্রদান করে! মদকে শরবতের বোতলে ঢেলে সেটাকে শরবত হিসেবে পান করার মত। কোনো রকমের লেনদেন বা বিনিময়ের বাধ্যবাধকতা ব্যতীত কাউকে কিছু প্রদান করা উপহার। কিন্তু, যখন সেটা সামাজিক প্রথা বা নিয়মে রূপান্তরিত হয়ে যায় তখন সেটাকে আর উপহার বলা যাবেনা। যারা উপহার দিচ্ছে বলে দাবি করেন তাদেরকে যদি বলা হয় এসব তারা কেন দেয়, এত আয়োজন কেন করে। অধিকাংশ লোক উত্তরে বলবে, "ছেলে পক্ষ কিছু দাবি করেনি। কিন্তু, সামাজিকতা তো রক্ষা করতে হবে। কিছু না দিলে মেয়েকে শ্বশুরবাড়িতে মন ছোট করে থাকতে হবে।" ইত্যাদি ইত্যাদি। যারা যৌতুক বিরোধী স্লোগান দেয় ত...

শুধুমাত্র ক্লিক করে আয় করবেন

 PTC সাইট হতে অতি সহজে শুধু মাত্র ক্লিক করেই আপনি টাকা উপার্জন করতে পারেন। PTC এর মানে হচ্ছে Paid to Click অর্থাৎ "ক্লিক এর বিনিময়ে টাকা"। এই সাইট গুলি বিজ্ঞাপন দাতাদের কাছ হতে তাদের বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্য টাকা নিয়ে যারা বিজ্ঞাপনটি দেখবে (অর্থাৎ আপনাকে) সেই টাকার একটি অংশ প্রদান করে। সবগুলি সাইটই মূলত একইভাবে কাজ করে। প্রথমে আপনাকে যেই সাইট এ কাজ করবেন, সেখানে একাউন্ট খুলে নিতে হবে। এই একাউন্ট খুলার কাজটি সম্পূর্ণ ফ্রি। এরজন্য আপনাকে কোনো টাকা খরচ করতে হবে না।  একাউন্ট খুলা হয়ে গেলে একাউন্ট এ ঢুকার পর সাইট গুলি আপনাকে কিছু অ্যাড (বিজ্ঞাপন) এর লিংক দেখাবে। সেই লিঙ্কে ক্লিক করার পর আপনাকে ৫ হতে ৩০ সেকেন্ড অ্যাডটি দেখতে (পেজ টি খুলে রাখলেই চলবে) হবে। দেখা হয়ে গেলেই আপনার একাউন্ট এ সেই অ্যাড টি দেখার টাকা জমা হয়ে যাবে। EasyEarnBD.com এ আমরা আপনাকে কিছু বিশ্বস্থ সাইট এ আপনি কিভাবে একাউন্ট খুলবেন এবং কাজ করবেন সেটি দেখিয়ে দেবার চেষ্টা করব। এছাড়া সেখানে আয় কিভাবে বাড়াবেন তাও কিছুটা দেখানোর চেষ্টা করবো। অনলাইন এ আয়ের সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি হওয়ায় অনেক ভুয়া PTC সাইটও তৈরী হচ...