ট্রান্সজেন্ডার
ট্রান্সজেন্ডারের এই কনসেপ্টটা আমাদের দেশে নতুন হলেও কিন্তু পশ্চিমা দেশগুলোতে পুরনো এবং এটা সামাজিক বিশৃঙ্খলা ও অস্থিরতার প্রধান কারণ।
সাধারণত আমরা আমাদের সমাজে তিন ধরনের লিঙ্গের সাথে পরিচিত, নারী, পুরুষ ও হিজরা। যদিও এই তৃতীয় শ্রেণীর প্রাকৃতিকভাবে খুবই কম হয়, এখন রাস্তাঘাটে এবং বাসে যাদেরকে দেখি তাদের বেশিরভাগ হয়তো অস্ত্রপচার করে থাকে অথবা টাকা পয়সার জন্য এই কাজে নামে। কিন্তু ইসলামের দৃষ্টিতে তৃতীয় লিঙ্গ বলে কোন পরিচয় নাই। যাদেরকে আমরা হিজরা হিসাবে জানি, ইসলামের দৃষ্টিতে তাদের তৃতীয় কোনো পরিচয় নাই, বরং তাদেরকে হয়তো নারী অথবা পুরুষের ক্যাটাগরিতে ফালানো হয়। অর্থাৎ দুই লিঙ্গের মধ্যে হরমোনাল ফাংশন অনুযায়ী যেটা তার মধ্যে গালিব সেটাই তার পরিচয় হয়ে থাকে। তবে এই ধরনের কেস খুবই কম।
ট্রান্সজেন্ডার হলো পশ্চিমাদের আমদানি করা ভিন্ন একটা মানসিক অসুস্থতা। সমকামিতা যেরকম একটা মানসিক রোগ ও অসুস্থতা, ঠিক ট্রান্সজেন্ডারিজম বা ছেলে হয়ে নিজেকে মেয়ে অনুভব করা কিংবা মেয়ে হয়ে নিজেকে ছেলে অনুভব করা এটাও একটা মানসিক রোগ। সমাজের প্রধান জনশক্তি ও মূলধারা হলো পুরুষরা। পুরুষদের পুরুষত্ব জাতিকে শক্তিশালী করে আবার তাদের মধ্যে বিকৃত যৌনতার এবং মানসিকভাডে ধ্বংস করা মাধ্যমে তাদের সমাজে অস্থিরতা তৈরা করা হয়ে থাকে। যাতে করে তারা কখনো বাস্তব জগতের সত্যকে নির্মোভাবে বিশ্লেষণ করতে না পারে। পুরুষদের পুরুষালী আচরণ এবং নারীর লজ্জা শালীনতা সুস্থ স্বাভাবিক বিকাশ ওই সমাজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এবং এটাই সামাজিক কাঠামো।
একজন পুরুষ, সে একজন পুরুষই। তার মধ্যে আচরণগত (হরমোনাল) কিছু পরিবর্তন তার পুরুষ হওয়ার বাস্তবতাকে ঢেকে দিবে না। একজন নারী, সেই নারীই। সে কোন পুরুষ নয়। একজন পুরুষের নিজেকে নারী মনে করা যেরকম মানসিক রোগ তেমনিভাবে একজন নারীর নিজেকে পুরুষ মনে করাও মানসিক রোগ। প্রাকৃতিকভাবে নারী ও পুরুষকে আলাদা আলাদা শারীরিক গঠন ও মানসিক সহনশীলতা ও শক্তি দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। এটাকে পরিবর্তন করে পুরুষের নিজেকে নারী মনে করা এবং নারী নিজেকে পুরুষের শরীরে আটকে পড়া নিতান্তই মানসিক রোগ এটা স্বাভাবিকভাবে যেকোন সুস্থ মানুষের কাছে পরিষ্কার থাকার কথা।
Click o the link..
https://snailthreatenedinvited.com/hvg26h96ns?key=dbd5f4919d0cf02345113515efcfb090
Comments
Post a Comment